Published : 24 May 2026, 02:52 PM
রাজধানীর লালবাগের শহীদনগরে অনলাইন টি-শার্ট বিক্রেতা রাফি হোসাইন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মাদক কারবারি মনির ও তার সহযোগীরা রয়েছে। গত কয়েকদিনে ঢাকা ও কক্সবাজারে ধারাবাহিক অভিযানে তাদের ধরা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাফির সাথে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। গত ১৪ মে রাতে শহীদনগর এলাকায় দুর্বৃত্তরা রাফিকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে ২০ মে সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ঘটনার রাতে, আটটার কিছু পরে, ‘কিশোর গ্যাং’য়ের কয়েকজন সদস্য শহীদনগর ৩ নম্বর গলিতে এসে রাফির বন্ধু সজীবের কাছে শাহীন নামের একজনের খোঁজখবর নেয়। সজীব জানায় সে এই বিষয়ে কিছুই জানে না। এরপর তারা সজীবকে মারধর করে এবং রাফিকে ডেকে আনে। রাফি আসার সাথে সাথেই একজন দুর্বৃত্ত তার পিঠে গুলি করে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাফি হামলাকারীদের মধ্যে মাদক কারবারি মনিরের তিন সহযোগীর নাম উল্লেখ করেছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ১৮ মে রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে শাহাবুদ্দিন ও রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে।
তাদের দেওয়া তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, পুলিশ মনিরের আরেক সহযোগী ইমন, যিনি বাবুর্চি ইমন নামেও পরিচিত, এর অবস্থান শনাক্ত করে। গত বুধবার কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে ৯টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটি এখনও উদ্ধার করা যায়নি।।
ঈদের ছুটিতে লালবাগ কেল্লায় জনস্রোত, আনন্দে মুখরিত ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ